যুক্তরাষ্ট্র সরকারেরফেডারেল রেজিস্টারে শুক্রবার ওই প্রস্তাব তুলে দিয়ে এ বিষয়ে জনগণের মতামত চাওয়া হয়েছে।
৩০ মার্চ থেকে ৬০ দিন এ বিষয়ে সেখানে মতামত দেওয়ার সুযোগ থাকছে।এই নিয়ম কার্যকর হলেবছরে দেড় কোটি ভিসা প্রত্যাশীকে এসব তথ্য দিতে হবে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোজানিয়েছে।এর আগে সোশাল মিডিয়া,ইমেইল তথ্য ও পুরনো ফোন নম্বর চাওয়া হত শুধু বাড়তি তদন্তের জন্য নির্বাচিতদের কাছ থেকে।সন্ত্রাসী বিভিন্ন গোষ্ঠী নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে ভ্রমণ করেছেন, এমন ব্যক্তিরাই ওই
শ্রেণিতে পড়তেন। প্রতি বছর ৬৫ হাজারের মতো আবেদনকারী এ তালিকায় আসতেন।তবে নতুন নিয়মে যুক্তরাষ্ট্রে
ইমিগ্রান্ট ও নন-ইমিগ্রান্ট সব আবেদনকারীকেই এসব তথ্য দিতে হবে।পররাষ্ট্র দপ্তরের
ধারণা, এই নিয়ম চালু হলে বছরে সাত লাখ দশ হাজার অভিবাসী ভিসা আবেদনকারী এবং ব্যবসা
ও শিক্ষার জন্য আমেরিকায় ভ্রমণ ইচ্ছুকসহ এক কোটি ৪০ লাখ নন- ইমিগ্রান্ট ভিসা আবেদনকারী
এর আওতায় আসবেন। প্রস্তাবটি যুক্তরাষ্ট্রসরকারের অফিস অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বাজেটের অনুমোদন পেলে দেশটির সব ধরনের ভিসা আবেদনপত্রেইসোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর একটি তালিকা যোগ করা হবে। ওই তালিকায় থাকা সোশাল মিডিয়াগুলোতে
গত পাঁচ বছরে অ্যাকাউন্ট থাকলে, তার ইউজার নেইম আবেদনকারীদের উল্লেখ করতে হবে। আবেদন ফরমে ঐচ্ছিক
হিসেবে তালিকায় না থাকা সোশাল মিডিয়ার নামও যোগ করার সুযোগ থাকবে আবেদনকারীদের।  সোশাল মিডিয়ার তথ্য ছাড়াও আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরে
তাদের ব্যবহৃত ফোন নম্বর, ই-মেইল, বিদেশ ভ্রমণ, কোনো দেশ থেকে বিতাড়িত হয়েছে কি না, পরিবারের সদস্যদের কেউ সন্ত্রাসী কার্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত কি না সে সব তথ্যও
উল্লেখ করতে হবে।তবে ক্ষেত্রবিশেষে সরকারি পাসপোর্টধারী ও কূটনৈতিকদের
এ থেকে ছাড় দেওয়া হবে।ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট
নির্বাচিত হওয়ার পর কয়েকটি মুসলিম দেশের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলেন।ভিসা
আবেদনকারীদের জন্য নতুন এসব তথ্য চাওয়াকে দেশটিতে ভ্রমণে কড়াকড়ি আরোপের পরিকল্পনার
অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে